aau7-এ আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন হওয়া উচিত আনন্দদায়ক ও নিরাপদ। আপনার সুস্থতা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — জানুন কীভাবে দায়িত্বের সাথে খেলবেন।
নিজেই অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন
দৈনিক/সাপ্তাহিক ব্যয়সীমা নির্ধারণ
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নিন
বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক
যেকোনো সমস্যায় সাথে আছি
আপনার সুস্থতা আমাদের দায়িত্ব
আমাদের ইমেইল করুন:
[email protected]
aau7 শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়ের দায়িত্বশীল বিনোদনের অংশীদার। আমাদের বিশ্বাস, অনলাইন গেমিং হওয়া উচিত সম্পূর্ণ আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা — কোনো মানসিক চাপ বা আর্থিক কষ্ট ছাড়াই।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে আমাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন — আমরা চাই আপনার প্রতিটি গেমিং অভিজ্ঞতা হোক মজাদার, নিরাপদ এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। aau7 প্রতিশ্রুতি দেয় যে আমরা সর্বদা দায়িত্বশীল গেমিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
আমাদের লক্ষ্য হলো আপনাকে এমন সব সরঞ্জাম ও তথ্য দেওয়া যা দিয়ে আপনি নিজেই আপনার গেমিং কার্যক্রম সুস্থভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মনে রাখবেন — খেলাধুলা হলো বিনোদনের উপায়, জীবিকার পথ নয়।
দায়িত্বশীল খেলা মানে নিজের সীম া জানা, বাজেট নির্ধারণ করা এবং সময়মতো বিরতি নেওয়া। aau7 আপনাকে এই কাজগুলো সহজে করতে সাহায্য করে।
aau7-এ অ্যাকাউন্ট খোলা এবং যেকোনো ধরনের গেমিং বা বেটিং কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ (আঠার) বছর হতে হবে। এটি আমাদের একটি অলঙ্ঘনীয় নীতি।
নিবন্ধনের সময় আমরা জন্ম তারিখ যাচাই করি। প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের মাধ্যমে KYC যাচাইকরণ সম্পন্ন করা হয়। ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেলে তা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা হবে এবং সমস্ত তহবিল ফেরত দেওয়া হবে।
সতর্কতা: অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলা বা তাদের গেমিংয়ে সহায়তা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কারো সন্দেহ হলে [email protected]তে জানান।
aau7 আপনার হাতে রেখেছে বেশ কিছু শক্তিশালী সরঞ্জাম, যা দিয়ে আপনি নিজেই আপনার গেমিং নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন:
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক সর্বোচ্চ জমার পরিমাণ আপনি নিজেই নির্ধারণ করতে পারেন। একবার সেট করলে সেই সীমা অতিক্রম করা সম্ভব হবে না।
এককালীন বাজির সর্বোচ্চ পরিমাণ নির্ধারণ করুন। এটি আপনাকে বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনোদন নিশ্চিত করে।
২৪ ঘণ্টা থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত যেকোনো সময়ের জন্য আপনার অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করুন। বিরতির মেয়াদ শেষ না হলে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় হবে না।
দীর্ঘমেয়াদি স্ব-বর্জনের মাধ্যমে আপনি ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে পারবেন। এটি সিরিয়াস পদক্ষেপ এবং মেয়াদ শেষের আগে পূর্বাবস্থায় ফেরা যাবে না।
এক টানা কতক্ষণ খেলবেন তার সীমা নির্ধারণ করুন। নির্ধারিত সময় পার হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনি লগআউট হয়ে যাবেন।
আপনার গেমিং ও আর্থিক লেনদেনের সম্পূর্ণ ইতিহাস দেখুন। এটি আপনাকে নিজের অভ্যাস সম্পর্কে সচেতন থাকতে সাহায্য করে।
এই সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং "অ্যাকাউন্ট সেটিংস" বিভাগে যান। যেকোনো সমস্যায় [email protected]তে যোগাযোগ করুন।
গেমিং যখন বিনোদন ছাড়িয়ে নির্ভরতায় পরিণত হয়, তখন কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দেয়। নিজের মধ্যে বা প্রিয়জনের মধ্যে এই লক্ষণগুলো দেখলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:
মনে রাখবেন: এই লক্ষণগুলো দেখা দেওয়া মানে আপনি দুর্বল নন — এটি একটি স্বীকৃত সমস্যা যা সঠিক সহায়তায় সমাধানযোগ্য। সাহায্য চাওয়া সাহসের কাজ।
নিচের প্রশ্নগুলো মনে মনে উত্তর দিন। যদি ৩ বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আমাদের সহায়তা দলের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে:
আপনি কি সম্প্রতি বাজির পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়িয়েছেন একই রোমাঞ্চ পেতে?
হারানো অর্থ ফিরে পেতে কি আপনি "একটু বেশি" বাজি ধরার চেষ্টা করেন?
গেমিং বন্ধ করার চেষ্টা করলে কি অস্বস্তি বা উদ্বেগ অনুভব করেন?
আপনার গেমিং অভ্যাস কি পরিবার বা কাছের মানুষের সাথে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করেছে?
গেমিংয়ের জন্য কি আপনি কখনো মিথ্যা বলেছেন বা অর্থের পরিমাণ লুকিয়েছেন?
মানসিক চাপ বা একাকীত্ব থেকে বাঁচতে কি আপনি গেমিংয়ে আশ্রয় নেন?
গেমিংয়ের কারণে কি কাজ, পড়াশোনা বা দৈনন্দিন দায়িত্বে অবহেলা হয়েছে?
aau7-এ দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও উপভোগ্য গেমিং অভিজ্ঞতার জন্য এই পরামর্শগুলো মেনে চলুন:
বাজেট আগে ঠিক করুন
প্রতি সপ্তাহে বা মাসে গেমিংয়ের জন্য কতটাকা খরচ করবেন তা আগেই ঠিক করুন। সেই সীমার বাইরে কখনো যাবেন না।
খেলুন বিনোদনের জন্য
গেমিং কে আয়ের উৎস হিসেবে না ভেবে বিনোদন হিসেবে দেখুন। জয় হলে ভালো, হার হলেও মাথা ঠান্ডা রাখুন।
সময়সীমা মেনে চলুন
একটানা দীর্ঘ সময় না খেলে নিয়মিত বিরতি নিন। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০-১৫ মিনিটের বিরতি নেওয়া ভালো অভ্যাস।
মানসিক অবস্থায় সতর্ক থাকুন
রাগান্বিত, হতাশ বা মদ্যপ অবস্থায় কখনো গেমিং করবেন না। শান্ত মনে খেলুন।
দৈনন্দিন অর্থ আলাদা রাখুন
বাড়িভাড়া, বাজার, সন্তানের পড়ার খরচের অর্থ দিয়ে কখনো বাজি ধরবেন না। শুধু "বাড়তি" অর্থই ব্যবহার করুন।
হার মেনে নিতে শিখুন
গেমিংয়ে জয় ও পরাজয় দুটোই স্বাভাবিক। হারের পর "রিকভারি বাজি" ধরার প্রবণতা থেকে দূরে থাকুন।
যদি মনে হয় গেমিং আপনার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তাহলে একা মোকাবেলা করার চেষ্টা করবেন না। aau7-এর সহায়তা দল সর্বদা আপনার পাশে আছে।
গেমিং আসক্তি একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। বাংলাদেশে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (NIMH), ঢাকার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগ এবং বেসরকারি কাউন্সেলিং সেন্টারগুলো থেকে সহায়তা পেতে পারেন।
মনে রাখবেন: সাহায্য চাওয়া সাহসের কাজ। আপনি একা নন — লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন এবং সঠিক সহায়তায় সুস্থ জীবনে ফিরে এসেছেন।
আপনার সন্তান বা পরিবারের কোনো সদস্য অনলাইন গেমিংয়ে সময় বেশি দিচ্ছে মনে হলে নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:
aau7 সক্রিয়ভাবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষায় কাজ করে। অভিভাবকদের যেকোনো উদ্বেগ আমাদের জানালে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
aau7-এ আপনার নিরাপত্তা ও সুস্থতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিরাপদ গেমিং উপভোগ করুন।